12993472_1046465122081066_8088234660759308720_n

‘ভিশন ২০৩০’নিয়ে আসছেন বেগম খালেদা জিয়া !!

নবদ্বীপ নিউজ ঃ- বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে কি কি কাজ করবে, দেশকে কিভাবে তারা উন্নত করবে? এ সংক্রান্ত ‘ভিশন ২০৩০’ বিষয়ে বেগম খালেদা জিয়া বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে জানাবেন। এতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মেনিফেস্টো (ইশতেহার) এবং সহায়ক সরকারের রুপরেখা দেওয়া হবে না বলে জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।
ভিশন-২০৩০ থাকবে, যার আউট লাইন আগেই দেওয়া হয়েছে, এটার এখন বিস্তারিত দেয়া হবে। এটার সঙ্গে নির্বাচনী ইশতেহারের কোনো সম্পর্ক নেই, এটার সঙ্গে সহায়ক সরকারের রূপরেখার কোনো সম্পর্ক নেই। যেখানে থাকবে দূরদৃষ্টি, সরকার পরিচালনার দায়িত্বে গেলে, কি কি কাজ করব বি এন পি ।দেশকে কিভাবে দেখতে চাই, স্বপ্নটা কিভাবে দেখাতে চাই জাতিকে সেই বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে ।
শুক্রবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সাহেরা হোসেনকে দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব বলেন মির্জা ফখরুল। ডায়াবেটিকসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে গত মঙ্গলবার থেকে ৭৫ বছর বয়সী সাহেরা এখন লাইফ সাপোর্টে আছেন।
বিচার বিভাগের উপর নির্বাহী বিভাগের প্রভাব সম্পর্কে অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা বরাবরই বলে আসছি, যে দেশে গণতন্ত্র থাকে না, সেই দেশে এই ধরণের প্রতিষ্ঠান গুলো কাজ করতে পারে না। এখানে গণতন্ত্রের মূল যে তিনটি বিষয় থাকে ইন্ডিপেন্ডেন্ট জুডিশিয়ারি (স্বাধীন বিচার বিভাগ), ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্লামেন্ট (স্বাধীন সংসদ) এন্ড এফিসিয়ান্ট এডমিনিস্ট্রেশন (দক্ষ প্রশাসন) এই তিনটার মধ্যে একটা আরেকটার ওপরে চাপ সৃষ্টি করে বিশেষ করে সরকার বিচার বিভাগের উপর চাপ সৃষ্টি করে, তাহলে বিচার বিভাগ স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারে না। এই কথাগুলো আমরা অনেক বার বলেছি, কিন্তু দুঃখজনক ভাবে অনেকে সেটা বুঝতে পারেননি। যখন মাননীয় প্রধান বিচারপতি নিজেই বলছে তখন জাতির সামনে এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে এই দেশে এখন কোনো গণতন্ত্র নেই, বিচার বিভাগ তার স্বাধীন ভূমিকা পালন করতে পারছে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমানে সরকার বিরোধী মত, ভিন্ন মত এই বিষয়গুলো সরকার একেবারে এক নায়কতন্ত্রের মত সেগুলোকে দমন করছে। তাদের মূল উদ্দেশ্যই হল, ১৯৭৫ সালে করেছিল বাকশাল, সেটাই এখন ভিন্নভাবে একইরকম করে তারা দেশ পরিচালনা করছে। সেটা এই দেশের মানুষ মেনে নিতে পারে না।
হাওর অঞ্চলে সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা খুবই অপ্রতুল, সেটা জনগণের চাহিদার তুলনায় কিছুই নয়। মানুষ আহাজারি করছে, বলছে আমরা বাকি সময় কিভাবে চলবো, সারা বছর তারা কিভাবে চলবো। আমি আমার বাচ্চাদেরকে খাবার দিতে পারবো কিনা? এই বিষয় গুলো প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে, যে মানুষ এখানে দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে, সরকারের উচিৎ সেটাকে অবিলম্বে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করা এবং সেভাবে ব্যাবস্থা নেওয়া।
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>